Pages

Showing posts with label Computer. Show all posts
Showing posts with label Computer. Show all posts

Monday, 18 August 2014

কম্পিউটারেই চালান অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আমরা কত কিছুই করি। অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে একটি ওপেন সোর্স ওএস (Open Source) এটি দিয়ে যে কতকিছু করা যায় তা কল্পনার বাইরে। ঠিক তেমনি, আপনি কি কখনও ভেবেছেন যে আপনার পিসি তে অ্যান্ড্রয়েড চালাবেন? আসুন আজ আপনাদের দেখাই কীভাবে আপনি আপনার কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড চালাতে পারবেন। এই কাজে যে সফটওয়্যারটির প্রয়োজন পড়বে তার নাম Bluestacks।
প্রথমেই দেখে নিন যে আপনার পিসি-তে কি Bluestacks সাপোর্ট করবে কিনা!
  • ডুয়াল-কোর প্রসেসর বা এর বেশি;
  • ২ জিবি র‌্যাম বা এর বেশি;
  • DirectX 11 সমর্থন করে এমন একটি গ্রাফিক্স কার্ড;
  • মনিটরের রেজুলেশন ১০২৪x৭৬৮ এর বেশি।

যেভাবে Bluestacks ইন্সটল করবেন

  1.    প্রথমেই Bluetstacks এর ওয়েবসাইট থেকে ইনস্টলারটি ডাউনলোড করুন।

2. BlueStacks-SplitInstaller_native.exe ফাইল-টি Run As Administrator দিয়ে চালু করুন।

3. ইনস্টলার-টি চালু হলে Continue চাপুন!

৪. এবার ইন্সটল- এ চাপ দিন!
৫. এবার সফটওয়্যার-টির ইন্সটল শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন (ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন)
ইন্সটল শেষ হয়ে গেলে সফটওয়ারটি চালু হয়ে যাবে।
এ পর্যায়ে এটাকে দেখতে একটি অ্যাপ্লিকেশন প্লেয়ারের মতই লাগে। এখন কেবল লঞ্চার ইন্সটল করা বাকি।

যেভাবে Launcher ইন্সটল করবেন

1. প্রথমেই Bluestacks চালু করুন (ডেস্কটপ এর শর্টকাট বা স্টার্ট মেনু থেকে)।
2. তারপর আপনার ইচ্ছে মত যেকোনো একটি Launcher এর APK ফাইল-টি ডাউনলোড করে নিন। আমি Go Launcher এর লিঙ্ক দিয়ে দিলামঃ Go Launcher.apk
3. APK-টি ডাউনলোড হলে Right Click করে Open With > Bluestacks APK Handler- এ ক্লিক করুন। এখন একটি উইন্ডোজ আসবে। Install APK শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
৪. APK Install হয়ে গেলে Bluestacks এ ফিরে যান। এবং নিচের Bluestacks এর আইকন টিতে চাপ দিন! (এটি হচ্ছে Home Button)
৫. এখন Use By Default For This Action এর টিক দিন এবং তারপর Go Launcher এ ক্লিক করুন।
হয়ে গেলো! এখন গুগল প্লে স্টোরে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করে পছন্দমতো অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করে ব্যবহার করুন।
বলা বাহুল্য, ব্লুস্ট্যাকস দিয়ে যাদের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস নেই তারা অ্যান্ড্রয়েড চালাতে কী রকম লাগে তার একটা ধারণা পাবেন মাত্র। সাধারণত মূল অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি ফোনে ব্লুস্ট্যাকসের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করে। তাই অ্যান্ড্রয়েড না কিনেও অ্যান্ড্রয়েডের কিছুটা স্বাদ নিতে ব্লুস্ট্যাকস ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
সৌজন্যেঃ  সাকিবুল ইসলাম

কম্পিউটার হ্যাং থেকে সহজে মুক্তির উপায়

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বিভিন্ন বিরক্তিকর সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি হল প্রোগ্রাম রেসপন্স না করা অর্থাৎ হ্যাং হয়ে যাওয়া। র‌্যাম এর স্বল্পতা, ভাইরাস, নিম্নমানের প্রোগ্রাম ডিজাইন ইত্যাদি বিভিন্ন কারনে এই সমস্যা হতে পারে। যখন কোন সফটওয়্যার হ্যাংহয়ে যায় তখন আমরা সাধারনত Alt+Ctrl+Del চেপে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করে সেই সফটওয়্যার বন্ধ করে থাকি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাস্ক ম্যানেজার খুলতেও যথেস্ট সময় লাগে, কারন এটি শুধু সেই হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম নয় বরং আরও অনেক কিছু নিয়ে লোড হয়। আর তাই টাস্ক ম্যানেজার ওপেন না করে এক ক্লিকে হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিলে কেমন হয় ? দেখা যাক এটি কিভাবে করা যায়।

* প্রথমেই ডেস্কটপ এ রাইট ক্লিক করে New > Shortcut সিলেক্ট করুন।


* এবার একটি ডায়ালগ বক্স দেখা যাবে যেখানে আপনার শর্টকাট এর লোকেশন জানতে চাইবে। সেখানে নিচের লেখাটি কপি করে পেস্ট করে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।
taskkill.exe /f /fi “status eq not responding


* শর্টকাটটির পছন্দমত একটি নাম দিন এবং ফিনিশ বাটনে ক্লিক করুন।


ব্যাস কাজ শেষ। এখন কোন প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে গেলে শুধু এই শর্টকাটে ডাবল ক্লিক করলেই সেই প্রোগ্রামটি বন্ধ হয়ে যাবে। টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করার আর কোন ঝামেলা থাকল না।

নতুন কম্পিউটার মালিকদের জন্যে প্রয়োজনীয় তথ্য

নতুন কম্পিউটার কিনেছেন? আপনাকে অভিনন্দন। নতুন কম্পিউটারের বাক্স খোলা ও কম্পিউটার সেট আপ করার জন্য নিশ্চয়ই রোমাঞ্চিত আপনি? নতুন পিসি সেটআপ করার সময় কিছু বিরক্তিকর কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকে। কম্পিউটার সেটআপ করার সময় ভবিষ্যতে কম্পিউটার সংক্রান্ত ঝামেলা এড়াতে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে পারে।

সিরিয়াল নম্বর সংরক্ষণ করুন
আপনার পিসির একটি সিরিয়াল নম্বর রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কোনো মুহূর্তে এই সিরিয়াল নম্বর কাজে লাগতে পারে। বাক্স খোলার সময় সিরিয়াল নম্বরটির ছবি তুলে ক্লাউডে বা সহজেই খুঁজে পাবেন এমন স্থানে সংরক্ষণ করুন। বাক্সের গায়ে লেখা সিরিয়াল নম্বর আপনার কেনা পণ্যটির গায়ে লেখা সিরিয়াল নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। আপনার কেনা পিসিটি যদি উইন্ডোজ-চালিত হয় তবে উইন্ডোজ লাইসেন্স কী এর স্ন্যাপশট নিয়ে রাখতে পারেন। ভবিষ্যতে যদি উইন্ডোজ রিইনস্টল করার প্রয়োজন পড়ে এই লাইসেন্স কী দরকার পড়বে।

রিকভারি ডিস্ক বা ড্রাইভ তৈরি করুন
কম্পিউটার রিইনস্টল করার প্রয়োজন পড়লে রিকভারি ডিস্ক বা ড্রাইভের প্রয়োজন হতে পারে। অনেক পিসির সঙ্গে রিকভারি সিডি বা ড্রাইভ পাওয়া যায়। রিকভারি মিডিয়া না থাকলে নতুন কম্পিউটার চালুর সময় রিকভারি ডিস্ক তৈরি করা রাখা যেতে পারে। রিকভারি ভিডিও ডিস্ক তৈরির টিউটোরিয়াল দেখুন।

মাল্টি-প্লাগ পরীক্ষা করুন
যে মাল্টি-প্লাগ থেকে পিসি বৈদ্যুতিক সংযোগ পায় তা ঠিক আছে কিনা দেখে নিন। মাল্টি-প্লাগে বাতি জ্বলতে দেখলে বুঝবেন যে বৈদ্যুতিক সংযোগ ঠিক আছে।

মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখের জন্য রিমাইন্ডার দিন
আপনার কম্পিউটারের ওয়ারেন্টির মেয়াদ যেদিন শেষ হবে ক্যালেন্ডারে গিয়ে তাতে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন। এতে কম্পিউটারে কোনো সমস্যা হলে ওয়ারেন্টির মেয়াদ আছে কিনা তা সহজেই বুঝে নিতে পারবেন।

অন্যান্য
নতুন কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত বিষয়গুলো ভালো করে পরীক্ষা করে নিন। আপনার কম্পিউটার চালুর সময় যেক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড দেওয়া প্রয়োজন পড়বে সেক্ষেত্রে জটিল কিন্তু সহজে মনে রাখা সম্ভব এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ভালো অ্যান্টিভাইরাস সেটআপ করুন।

পিসি ক্রাশ থেকে বাঁচার উপায়

কম্পিউটার ক্রাশের সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। সমস্যা তা অনেকেই ফেস করছেন। ধরেন আপনি হয়ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতেছিলেন। হঠাৎ আপনার সম্পূর্ণ সিস্টেম হাং করল অথবা ব্লু-স্ক্রীন আর কিছু এরর ম্যাসেজ দেখা দিল। বাধ্য হয়ে আপনাকে Alt+Ctrl+Del চাইপা সিস্টেম রিবুট করতে হইল । আমার এই সমস্যা অনেকবার হইছে । তাই আজকে এইটা নিয়া লেখলাম। এইতার কারন অনেক থাকতে পারে। যেমনঃ সফটওয়্যার বাগস , মেমোরি ব্লক হওয়া ইত্যাদি।

ক্রাশ কেন হয়? 
আগেরকালে পিসির আকৃতি ছোট করার আর এটা যাতে সবাই কিনতে পারে সেই দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হইত। তারা হার্ডওয়্যার তৈরির সময় সবচেয়ে কম দামের পার্টস ব্যাবহার করত আর সফটওয়্যার লেখার সময় বিপদজনক শর্টকাট ইউস করত। তাছাড়া ধীর গতির পিসিতে ভাল পারফরমেন্স পাবার আশায় অপারেটিং সিস্টেম, সকল এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ও ডিভাইস ড্রাইভার চালানোর জন্য মেইন মেমরির একটি নির্দিষ্ট স্পেস ব্যবহার করত। আর এগুলোর মধ্যে যদি কোন একটিতে ক্ষতিকর বাগ থাকত তাহলে তা পুরা সিস্টেম কে অচল করে দিত। সব সফটওয়্যার নির্দিষ্ট ও অরক্ষিত স্পেস ব্যবহার করত। জার ফলে যেকোনো সফটওয়্যার এ একটি সমস্যা থাকলে তা অন্য সফটওয়্যার এ ছড়িয়ে পড়ত। যার ফলে সিস্টেম ক্রাশ।

কিন্তু আগেরকালের পিসিগুল যথেষ্ট বিশ্বস্ত ছিল তাদের সহজ ও সরল আর্কিটেকচারের জন্য। আর এখনকার পিসিগুলোতে আগের কালের পিসিগুলোর তুলনায় বেশি ক্রাশ হয়। কারন বর্তমানে পিসির জটিল আকার ধারন করা ।

আরও কারন আছে ক্রাশ হওয়ার । পিসির বর্তমান অপারেটিং সিস্টেম এর কোড সাইজের স্বাভাবিক বাড়ার কথাই ধরুন। ১৯৯২ সালের উইন্ডোজ এনটি এর অরিজিনাল ভার্সনে সোর্স কোড এর সংখ্যা ছিল ৪ মিলিয়ন লাইন। আর ১৯৯৬ সালে রিলিজ হওয়া এনটি ৪.০ এ সোর্স কোড এর পরিমান দারাইছে ১৬.৫ মিলিয়ন। এর পরে যে উইন্ডোজ এনটি এর ৫.০ ভার্সন বের হইছে তাতে সোর্স কোড এর পরিমান আসিল ৩০ মিলিয়ন লাইন । এইবার বুঝেন ঠ্যালা শতকরা বাড়ার হার ৬ বছরে ৭০০%।

যদি এখানে কোন ক্ষতিকর বাগ থাকে তাহলে সিস্টেম ক্রাশ হতে কতক্ষণ লাগবে আপনারাই বের করেন?

অনেক সময় সফটওয়্যার এর সমস্যার কারনেও এটি হতে পারে । যখন কোন সিস্টেম ক্রাশ করে তখন সফটওয়্যার গুলো ফেইল করে। যদি এটি কোন এপ্লিকেশন হয় তাহলে আপনাকে আনসেভড কাজ গুলা হারাতে হবে । তবে উন্নতমানের অপারেটিং সিস্টেম অবশ্যই অন্যান্য প্রোগ্রামের মেমোরি পার্টিশন রক্ষা করবে। অনেকসময় ক্রাশ করা প্রোগ্রামটি আর অনেক প্রোগ্রাম এ সমস্যা সৃষ্টি করে ফলে পুরা সিস্টেম অচল হওয়া যায়। তখন পিসি রিবুত করা ছাড়া উপাই নাই। আবার অপ্রত্যাশিত রিবুত হার্ডডিস্কে নানান জঞ্জাল বানাতে পারে। তার ফলে আপনার হার্ডডিস্ক ক্রাশ করতে পারে। তার পর আপনাকে নতুন হার্ডডিস্ক লাগাতে হবে।

আবার ভাইরাস এর কারনেও সিস্টেম ক্রাশ হতে পারে। 

আবার নতুন এক ঝামেলা হইল কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার চুরি। বিশেষ করে র‍্যাম চুরি । র‍্যাম চুরির ফলে সিস্টেম অন হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এর অভাবে আপনার সিস্টেম ক্রাশ করবে।

ক্রাশ প্রতিরোধঃ
* ১) ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করেন। যেমনঃ নরটন অ্যান্টিভাইরাস। অ্যান্টিভাইরাস আপনার মেমরির কিছু অংশ হয়ত দখল করবে। কিন্তু এটি আপনার কম্পিউটার কে ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখবে । আর প্রতি ৩ মাস পর পর আপনার অ্যান্টিভাইরাসটি আপডেট দিন। আর মাসে অন্তত আপনার অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে সম্পূর্ণ পিসি স্কেন করুন। কোন কিছু ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড দেয়ার পর স্ক্যান করে নিন।

* ২) আপনার কোন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এর ব্যাকআপ করে নিন। যদিও এটি একটি বিরক্তকর জিনিস। কিন্তু সিস্টেম ক্রাশ হলে আপনার অই গুরুত্বপূর্ণ ফাইল টি যদি না খুজে পাওয়া যায় তাহলে অইটা মনে হয় আর খারাপ হবে।

* ৩) সপ্তাহে অন্তত আপনার ড্রাইভ গুলো স্কেন ডিস্ক দিয়ে স্কেন করিয়ে নিন। এর জন্য আপনার ড্রাইভ এর উপর রাইট ক্লিক করে properties এ ক্লিক করুন। তার পর tools ট্যাব এ প্রবেশ করে Scan Disk এ ঢুকে আপনার ড্রাইভ টি স্কেন করুন। এটি আপনার হার্ডডিস্ক টি চেক করে এরর গুলো রিপেইর করে দিবে।

* ৪) প্রতি মাসে অন্তত একবার আপনার ড্রাইভ গুলো Defragment করে নিন। এতে আপনার পিসি এর পারফরমেন্স বাড়বে।

* ৫) স্টার্ট আপ থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে ফেলুন।

* ৬) অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন না। করা থাকলেও আনইন্সটল করে ফেলুন।

* ৭) বেশি প্রোগ্রাম একসাথে রান করবেন না। ফলে আপনার মাল্টিটাস্কিং সুবিধা নিতে গিয়ে সিস্টেম রিসোর্চ ঘাটতি ঘটে আপনার সিস্টেম ক্রাশ করবে ।

* ৮) ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার ব্যবহার করুন । আমি কিছু ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার এর নাম দিলাম। যখন কোন প্রোগ্রাম ক্রাশ করার পর্যায় এ চলে আসে তখন এসব ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার অপারেটিং সিস্টেম কে এটি জানায়। তখন অপারেটিং সিস্টেম অই প্রোগ্রাম টিকে চালু রাখতে সাহায্য করে ও সমস্যা সমাধানে চেষ্টা চালায়। যদি তা সম্ভব না হয় তখন অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম টি থেকে আনসেভড ফাইল সংরক্ষণ করতে চেষ্টা করে।
এইখানে কয়েকটি ক্রাশ প্রটেক্টর এর নাম দিলামঃ


*1) PC Medic
*2) Norton Crash Guard
*3) Crush Defender Deluxe
*4) First Aid
*5) Safe & Sound

কম্পিউটার shut down দেবার পর অনেক সময় নেয়?

কম্পিউটার অনেক্ষন চলতে চলতে windows কতগুলো টেম্পোরারি ফাইল তৈরি করে এবং কম্পিউটার বন্ধ করার সময় সেগুলো মুছতে থাকে, তাই কম্পিউটার বন্ধ হওয়ার সময় দেরী করে।

এখন আপনি চাইলে এই দেরী হওয়াটা দূর করে দিতে পারেন, তার জন্য প্রথমে start menu থেকে run এ যান তারপর লিখুন regedit এবং ok চাপুন, রেজিস্ট্রি এডিটর চালু হবে। এবার নিচের নিয়মটি অনুস্মরণ করুন।
(মনে রাখবেন নিচে যা দেখানো হচ্ছে সবগুলো ডাবল ক্লিক করে করে ওপেন করতে হবে)
HKEY_LOCAL_MACHINE /SYSTEM /ControlSet002 /CONTROL/SessionManager/MemoryManagement
এবার ডান পাশে দেখুন, ClearPageFileAtShutdown নামের একটি অপশন আছে সেখানে ডাবল ক্লিক করুন এবং value data, 0 (জিরো) করে ok করুন যদি value data, 0 (জিরো) না থাকে। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

ব্যাস কাজ শেষ, আশা করি আপনি আর ওই সমস্যায় পড়বেননা।

USB ফোল্ডার তৈরি করুন আপনার কম্পিউটারে

অনেক সময় অন্যদের ইউএসবি ড্রাইভ ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে বা শেয়ার করার জন্য বা অন্য প্রয়োজনে লুকিয়ে রাখতে পারেন। আর সাথে ইউএসবি ড্রাইভকে ফোল্ডার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। 
আপনি যদি ইউএসবি ড্রাইভকে ডি ড্রাইভে [D:] রাখতে চান তাহলে ডি ড্রাইভে USB নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন। এজন্য ডি ড্রাইভ অবশ্যই এনটিএফএস (NTFS) হতে হবে।
 
এবার ইউএসবি ড্রাইভ কম্পিউটারে যুক্ত করুন এবং রানে (Ctrl+R চেপে) গিয়ে diskmgmt.msc লিখে এন্টার করুন তাহলে ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট খুলবে। এখানে ইউএসবিসহ সকল ড্রাইভ দেখা যাবে। 


ধরি এখানে ইউএসবি ড্রাইভ হচ্ছে [H:]। এখন এইচ ড্রাইভটিতে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Change Drive Letter and Paths এ ক্লিক করুন তাহলে Change Drive Letter and Paths for H: নামে ডায়ালগ বক্স আসবে। 
এবার Add বাটনে ক্লিক করে Mount into the following empty NTFS folder এর Browse বাটনে ক্লিক করে ডি 
ড্রাইভের ইউএসবি ফোল্ডার (D:\USB) দেখিয়ে দিন এবং Ok করে আবার Ok করুন।
 
এরপরে মূল ড্রাইভটি মুছে ফেলতে H: নির্বাচন করে Remove বাটনে ক্লিক করে মুছে ফেলুন। এখন থেকে ইউএসবি ড্রাইভ কম্পিউটারে যুক্ত করলে কোন ইউএসবি ড্রাইভ দেখাবে না। 
আপনি D:\USB থেকে ইউএসবি ড্রাইভের সকল তথ্য পড়তে, লিখতে বা মুছতে পারবেন।

Tuesday, 12 August 2014

নকিয়া পিসি সুইট এর স্পিড বাড়িয়ে ফেলুন

নকিয়া হ্যান্ডসেটকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করলে ইন্টারনেট গতি অনেকের ক্ষেত্রেই ধীরগতির থাকে। এ ক্ষেত্রে কিছু সেটিংস পরিবর্তন করে গতি বাড়িয়ে নেওয়া যায়। 

১. প্রথমে Nokia PC Suite দিয়ে কম্পিউটারের সঙ্গে হ্যান্ডসেটটি সংযুক্ত করুন। এরপর Connect to the Internet ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযোগ দিন। সংযোগ দেওয়া হয়ে গেলে আবার ডিসকানেক্ট করুন।


২. এবার network হতে network and sharing center এ যান।


৩. এখন change adapter setting এ যান।


৪. এখানে Nokia phone Bluetooth modem এ লেখার ওপর Right Mouse ক্লিক করে Properties যান।


৫. এবার Configure ক্লিক করুন।


৬. যে পেইজ আসবে সেখানে Maximum speed (bps)-এর পাশের Box থেকে ক্লিক করে 92160 করে দিন।


OK করে বেরিয়ে আসুন।

উইনডোজ XP জন্যঃ
Start ক্লিক করে Run-এ গিয়ে ncpa.cpl লিখে Enter চাপুন।
এখন যে পেইজ আসবে সেখানে Nokia USB Modem#1 এ রকম একটা লেখা থাকবে। এ লেখার ওপর Right Mouse ক্লিক করে Properties-এ ঢুকে Configure থেকে Maximum speed (bps)-এর পাশের Box থেকে ক্লিক করে 92160 লিখুন। ok করে বেরিয়ে আসুন।
এবার Nokia USB Modem#1-এ দুবার ক্লিক করে Dial-এ চাপ দিন। দেখবেন নেট কানেক্ট হয়ে গেছে।
আগের চেয়ে ইন্টারনেটে গতি অনেক বেড়ে যাবে। পরবর্তী সময়ে যদি Nokia PC Suite ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযুক্ত করেন, তাহলে এ সেটিংস বদলে যাবে। পুনরায় করে নিতে হবে।

Saturday, 5 July 2014

কম্পিউটার/ল্যাপটপের যত্নে যা যা করনীয়

১. লুকানো থাকা ফাইল উদ্ধার
পেনড্রাইভ/মেমোরী কার্ডে লুকানো থাকা ফাইল উদ্ধার করার জন্য search option গিয়ে “.” শুধু ডট লিখে search দিন সব ফাইল চলে আসবে

২. কম্পিউটার হয়ে যাক আরও গতিশীল
  • => GO “ RUN  – tree লিখে এন্টার করুন
  • => GO “ RUN  – prefetch লিখে এন্টার করুন (একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন)
  • => GO “ RUN  – temp লিখে এন্টার করুন এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন
  • => GO “ RUN  – %temp% লিখে এন্টার করুন এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন
  • প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ  ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ  ক্লিক করুন আশা করি আপনার কম্পিটার  অনেক গতি বেড়ে যাবে পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী

৩. কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার কিছু কারণঃ
  • → কম্পিউটারের প্রসেসরের মান বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে 
  • → কম্পিউটার র‍্যামের তুলনায় বেশী পরিমাণ কাজ করলে
  • → কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন এবং প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেবার বার একই সমস্যা হতে পারে
  • → যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে Cooling Fan টা check করেন এটা স্পীডে গুরছে কিনা
  • → hard disk- Bad sector থাকলে বা অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে
  • → অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলে মানেকোনো সিস্টেম ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে বুঝায় যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে
  • → কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে পারে ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয় কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন
  • → হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালে তখন ্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা থকে
  • → কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা থকে refresh চাপেন এবং RUN  গিয়ে tree চাপেন

৪. মনিটর  ছবি দেখা না গেলে
Confirm হন যে মনিটরটি on. এবং brightness control চেক করুন, এবং এটি ঠিক মত সেট হয়েছে কিনা খেয়াল করুন মনিটর এর সকল কানেকশন চেক করুন এবং surge protector  surge protector টি চালু কি না চেক করুন

৫. কিছু সময় পরপর Start থেকে Run- ক্লিক করে tree লিখে ok করুন এতে ্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে

৬. Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন তারপর Processes- ক্লিক করুন অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process- ক্লিক করে বন্ধ করে দেন যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন

৭. প্রতি সপ্তাহ একবার আপনার hard drive Defragment এবং disk cleanup করুন
(1. click start – all programs – accessori – system utility – Defragment drive utility
2. click start – all programs – accessori – disk cleanup)

৮. পিসি সেফ মোডে চালু হলে কি করবেন?
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে বিপদকালীন অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷

৯. আপনার hard disk  দুইটি partition করুন এবং সেকেন্ড পার্টিশনে Install করুন সব large Softwares (like PSP, Photoshop, 3DS Max etc). Windows এর জন্য আপনার C Drive যথাসম্ভব খালি রাখুন যাতে Windows RAM full হওয়ার পর আপনার C Drive কে virtual memory হিসেবে use করতে পারে

১০. আপনার পিসি পুরো বুট না হওয়া পযর্ন্ত কোন application open করবেননা

১১. যে কোন application close করার পর আপনার desktop F5 চেপে refresh করে নিন, যা আপনার পিসির RAM হতে unused files remove করবে

১২. ডেস্কটপ wallpaper হিসেবে very large file size image ব্যবহার হতে বিরত থাকুন

১৩. ডেস্কটপে অতিরিক্ত shortcuts রাখবেননা আপনি জানেন কি ডেস্কটপে ব্যবহৃত প্রতিটি shortcut up to 500 bytes of RAM ব্যবহার করে
১৪. প্রতিদিন আপনার ডেস্কটপের recycle bin Empty করে রাখুন (The files are not really deleted from your hard drive until you empty the recycle bin.)

১৫. ভার্চুয়াল মেমোরিঃ
অনেক সময় PC’ র‍্যাম কম থাকলে PC slow হয়ে যায় ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি বাড়ানো যায়এর জন্য - My Computer  মাউস রেখে right button ক্লিক করে properties-e যান এখন advance  ক্লিক করে performance এর settings  ক্লিক করুন আবার advance - ক্লিক করুন এখন change  ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size  Maximum size- আপনার ইচ্ছামত size লিখে set- ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন তবে Initial size  আপনার PC’ র্যামের দ্বিগুণ এবং Maximum size  র্যামের চারগুন দিলে ভাল হয়

১৬. কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপ্স জেনে নিন
  • প্রতি  বা  মাস পর পর কম্পিউটার খুলে সব parts মুছে নতুন করে লাগিয়ে দিন
  • * Ram খুলে পাতলা তুলো দ্বারা মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন
  • কম্পিউটারের উপর কোন ভারী কিছু রাখবেন না
  • রাতে ঘুমাবার সময় কম্পিউটার shut down করে দিন
  • বিদু্ৎ চলে গেলে যেন কম্পিউটার বন্ধ না হয়ে যায় সে জন্য UPS ব্যবহার করা উচিৎ
  • কম্পিউটার VIRUS দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিৎ
  • কম্পিউটারকে আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় রাখুন
  • প্রতিদিন মনিটরবিশেষ করে LCD মনিটর একবার করে মুছে রাখবেন
  • অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও CPU- উপর আলাদা পর্দা দিয়ে রাখেনযাতে ময়লা প্রবেশ না করে এতে আরও ক্ষতিই হয়
  • ওয়ালপেপার হিসেবে এমন ছবি সেট করুনযা আপনার চোখকে আরাম দেয় ওয়ালপেপার সাইজে যত ছোট হবেআপনার কম্পিউটারের গতির জন্য ততই ভাল
  • নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’ মুছে পরিষ্কার করে রাখুন

১৭. যে কোন Software uninstall করার সময় ……কন্ট্রোল প্যানেলে যান Add or Remove- দুই ক্লিক করুন Add/Remove windows components- ক্লিক করুন নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details- ক্লিক করুন নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন এখন next- ক্লিক করুন Successful meassage আসলে Finish- ক্লিক করুন

১৮. প্রত্যেকবার কম্পিউটার অন করার সময় বিভিন্ন ড্রাইভ চেকিং অপশন আসে যেমনঃ- Checking Drive E:

১৯. Press any key to canceled এর সমাধান
>স্টার্ট থেকে রানে লিখুন সিএমডি (cmd) এবার এন্টার চাপুন
>এরপর লিখুন সিএইচকেএনটিএফএস-স্পেস-ড্রাইভ লেটার (E:) স্পেস ব্যাকস্লাস(/)এক্স অর্থাতঃ (chkntfs E: /X) লিখে এন্টার দিন ব্যাস এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন

২০. তৈরি করুন একটি অদৃশ্য ফোল্ডার 
একটি New Folder তৈরি করুন, যখন New Folder লিখাটি নীল রং  সিলেক্ট করা থাকবে তখন keyboard এর ডান পাশের Alt চেপে ধরে 0160 চাপুন, এবার Alt key থেকে আঙুল সরিয়ে নিন এবং Enter  ক্লিক করুন এবার দেখুন একটি নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি হয়েছে  এখন এই নাম ছাড়া Folder  mouse এর right buttome ক্লিক করে Properties  যান, তারপর customize > change icon  ক্লিক করুন, তারপর icon window থেকে একটি blank icon সিলেক্ট করুন এবং ok তে ক্লিক করুন এবার দেখুন আপনি একটি অদৃশ্য Folder তৈরি করেছেন

২১. অনেক সময় START MENU SHOW করতে দেরি হয় বা LOCAL DISK এর যে কোন পেজ ওপেন করতে দেরি হয় যা খুব বিরক্তিকর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের পথ অনুসরন করুন প্রথমে START MENU থেকে RUN  ক্লিক করুন তাতে REGEDIT.EXE লিখে OK করুন REGISTRY EDITOR BOX আসবে, সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USER ট্যাবে ক্লিক করুন তারপর সেখান থেকে  CONTROL PANEL হয়ে DESKTOP ক্লিক করুন DESKTOP  ক্লিক করার পর ডান পাশের BINARY DATA হতে MENUSHOWDELAY তে ডাবল ক্লিক করুন যে EDIT STRING BOX আসবে তা হতে VALUE DATA “0” করে OK করুন তারপর কম্পিউটার RESTART করুন দেখবেন আপনার কম্পিউটার আগের তুলোনায় দ্রুত গতি সম্পন্ন হয়েছে এবং LOCAL DISK পেজ OPEN হতে সময় কম নিচ্ছে

২২. কি বোর্ডের সাহায্যে চালু করুন কম্পিউটার
আমরা সাধারণত CPU-এর পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার চালু করি কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, পাওয়ার বাটনে কোনো সমস্যা থাকলে কম্পিউটার চালু করতে অনেক কষ্ট হয় আমরা ইচ্ছা করলে CPU-এর পাওয়ার বাটন না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে খুব সহজেই কম্পিউটার চালু করতে পারি এর জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় কি-বোর্ড থেকে Del বাটন চেপে Bios- প্রবেশ করুন তারপর Power Management Setup নির্বাচন করে Enter চাপুন এখন Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter দিন Password নির্বাচন করে Enter দিন Enter Password- কোনো একটি কি পাসওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে সেভ (F10) করে বেরিয়ে আসুন এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করতে পারেন এই পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতি পাওয়া যাবে