১
একদিন ক্লাসে শিক্ষক তার সোনার আংটিটা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন।
শিক্ষকঃ বল তো, এই আংটিটাতে মরিচা ধরবে কি না?
ছাত্রঃ ধরবে না স্যার।
শিক্ষকঃ গুড, ভেরি গুড। আচ্ছা বলতো, কেন ধরবে না?
ছাত্রঃ স্যার, আপনি জ্ঞানী লোক। যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো, আপনি কখনই আপনার সোনার আংটি পানিতে রাখতেন না।
২
মালিকঃ আমাদের দোকানে যে পচা ডিমগুলো ছিলো, সেগুলো কে কিনলো??
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেব।
মালিকঃ গত বছরের পাঁচ কেজি আটা?
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেব।
মালিকঃ আর ঐ মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সেমাইগুলো?
কর্মচারীঃ লিয়াকত সাহেবই সব নিয়ে গেছেন।
এমন সময় মালিকের মুখ কালো হয়ে গেল।কপাল
দিয়ে ঘাম ছুটতে লাগলো।
কর্মচারী ভয় পেয়ে জিজ্ঞাস করল-
হুজুর আপনার কি শরীর খারাপ লাগছে?
মালিকঃ না, লিয়াকত সাহেবের বাসায় আজ আমার সপরিবারে দাওয়াত আছে।
৩
মানসিক হাসপাতালের এক রোগী একমনে কী যেন লিখছেন। চুপি চুপি পেছনে এসে দাঁড়ালেন ডাক্তার। বললেন, কী হে, চিঠি লিখছেন নাকি?
রোগীঃ হু।
ডাক্তারঃ কাকে লিখছেন?
রোগীঃ নিজেকে।
ডাক্তারঃ বাহ্! ভালো তো। তা কী লিখলেন?
রোগীঃ আপনি কি পাগল নাকি মশাই? সবে তো চিঠিটা লিখছি। চিঠি পাঠাব, দুদিন বাদে চিঠিটা পাব, খুলে পড়ব। তারপর তো বলতে পারব কী লিখেছি!
৪
স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার একপর্যায়ে ব্যাগ গোছাতে শুরু করলেন স্ত্রী। রাগে
গজগজ করতে করতে বললেন, ‘আর জীবনে কোনো দিন আমি এমুখো হব না। থাকো তুমি
একলা। আমি চললাম বাবার বাড়ি।’
স্বামী কটা টাকা এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘যাও যাও। আর এই নাও, যাওয়ার ভাড়াটা নিয়ে যাও।’
স্ত্রী মুখে ঝামটা মেরে বললেন, ‘আর ফেরার ভাড়াটা কে দেবে শুনি?’
৫
কর্তা : যা তো ক্যাবলা, একটি খালি ট্যাক্সি নিয়ে আয় |
কিছুক্ষণ পর ক্যাবলা এসে বলল, স্যার,একটাও খালি ট্যাক্সি পেলাম না , ড্রাইভারের সিটে কেউ না কেউ বসে আছে |
তড়িৎ প্রকৌশল এর প্রাথমিক ও মৌলিক ধারণা মাতৃভাষা বাংলায় সর্বসাধারণের কাছে পৌঁছে দেবার জন্যে আমাদের এই প্রয়াস। আমরা চেষ্টা করব যথাসম্ভব সঠিক এবং নির্ভুল তথ্য দেবার। তারপরও আমরা মানুষ, চলার পথে ভুল ভ্রান্তি হতেই পারে। আমাদের কোন ভুল আপনার দৃষ্টিগোচর হলে রেফারেন্স সহ ইনবক্স করবেন। আমরা শুধরে নিব। সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ
Showing posts with label Jokes. Show all posts
Showing posts with label Jokes. Show all posts
Wednesday, 11 March 2015
গরু বিষয়ক কিছু জোকস
১. ইংরেজি শিক্ষক বললেন, ‘সবাই সবার বাবার নাম খাতায় লিখে আনো।’
কাব্য নামের এক ছাত্র তার বাবার নাম খাতায় লিখল। কিন্তু কাব্যর পাশে বসা দুষ্ট ছেলেটা কাব্যর বাবার নামের শেষের তিনটি অক্ষর ও নামের প্রথম অক্ষরটি মুছে K–এর স্থানে C লিখে দিল৷
কিছুক্ষণ পর সবাই খাতা জমা দিল৷ স্যার দেখলেন, কাব্য লিখেছে Cow! রেগেমেগে কাব্যকে বললেন, ‘কাব্য, তোমার বাবার নাম কী?’
কাব্য: কাওসার।
স্যার: নিজের বাবাকে কাউ বলতে লজ্জা করে না!
কাব্য: স্যার, বললাম তো আমার বাবার নাম কাওসার!
২. রিয়াজ–পূর্ণিমা নবদম্পতি৷ ঈদের দিন দুপুরে রিয়াজ খেতে বসেছে৷ পূর্ণিমা গরুর মাংসের রেজালা পাতে তুলে দিয়ে বলল, ‘আমার মা মাংসের রেজালা রান্না করে পাঠিয়েছে তোমার জন্য।’
রিয়াজ মুখে দিয়ে বলল, ‘বাপ রে! খুব ঝাল!’
পূর্ণিমা: ও বুঝেছি, আমাদের গরুটা না পাশের বাড়ি থেকে কেনা! ওই গরু সারা দিন মরিচগাছ খেত, তাই মনে হয় রেজালায় ঝাল হয়েছে!
রিয়াজ: আচ্ছা, আচ্ছা। মিষ্টি কিছু থাকলে দাও!
পূর্ণিমা: সেমাই দেব? মা পাঠিয়েছে।
রিয়াজ: তোমাদের পাশের বাড়ির গরুর দুধের সেমাই?
পূর্ণিমা: হ্যাঁ, কেন বলো তো?
রিয়াজ: না না, তাহলে সেমাইও খুব ঝাল হবে!
৩. মা: সবুজ শাকসবজি খাও, চোখ ভালো থাকবে। চোখের যা অবস্থা করেছ!
মেয়ে: আম্মু, গরু তো প্রতিদিন অনেক সবুজ ঘাস খায়, তাহলে গরু কেন কালার ব্লাইন্ড?
৪. একবার অনি ক্লাসের প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় তিনটা বিষয়ে ফেল করল। ক্লাস টিচার খুবই রেগেমেগে বললেন, ‘অনি...’
অনি: জি, ম্যাডাম।
শিক্ষক: আমার ক্লাসে গরু–গবেট দরকার নাই। ক্লাস থেকে বের হয়ে পা উঁচু করে দাঁড়াও!
অনি: ম্যাডাম, গরুর তো চার পা, কয় পা উঁচু করে দাঁড়াব?
কাব্য নামের এক ছাত্র তার বাবার নাম খাতায় লিখল। কিন্তু কাব্যর পাশে বসা দুষ্ট ছেলেটা কাব্যর বাবার নামের শেষের তিনটি অক্ষর ও নামের প্রথম অক্ষরটি মুছে K–এর স্থানে C লিখে দিল৷
কিছুক্ষণ পর সবাই খাতা জমা দিল৷ স্যার দেখলেন, কাব্য লিখেছে Cow! রেগেমেগে কাব্যকে বললেন, ‘কাব্য, তোমার বাবার নাম কী?’
কাব্য: কাওসার।
স্যার: নিজের বাবাকে কাউ বলতে লজ্জা করে না!
কাব্য: স্যার, বললাম তো আমার বাবার নাম কাওসার!
২. রিয়াজ–পূর্ণিমা নবদম্পতি৷ ঈদের দিন দুপুরে রিয়াজ খেতে বসেছে৷ পূর্ণিমা গরুর মাংসের রেজালা পাতে তুলে দিয়ে বলল, ‘আমার মা মাংসের রেজালা রান্না করে পাঠিয়েছে তোমার জন্য।’
রিয়াজ মুখে দিয়ে বলল, ‘বাপ রে! খুব ঝাল!’
পূর্ণিমা: ও বুঝেছি, আমাদের গরুটা না পাশের বাড়ি থেকে কেনা! ওই গরু সারা দিন মরিচগাছ খেত, তাই মনে হয় রেজালায় ঝাল হয়েছে!
রিয়াজ: আচ্ছা, আচ্ছা। মিষ্টি কিছু থাকলে দাও!
পূর্ণিমা: সেমাই দেব? মা পাঠিয়েছে।
রিয়াজ: তোমাদের পাশের বাড়ির গরুর দুধের সেমাই?
পূর্ণিমা: হ্যাঁ, কেন বলো তো?
রিয়াজ: না না, তাহলে সেমাইও খুব ঝাল হবে!
৩. মা: সবুজ শাকসবজি খাও, চোখ ভালো থাকবে। চোখের যা অবস্থা করেছ!
মেয়ে: আম্মু, গরু তো প্রতিদিন অনেক সবুজ ঘাস খায়, তাহলে গরু কেন কালার ব্লাইন্ড?
৪. একবার অনি ক্লাসের প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় তিনটা বিষয়ে ফেল করল। ক্লাস টিচার খুবই রেগেমেগে বললেন, ‘অনি...’
অনি: জি, ম্যাডাম।
শিক্ষক: আমার ক্লাসে গরু–গবেট দরকার নাই। ক্লাস থেকে বের হয়ে পা উঁচু করে দাঁড়াও!
অনি: ম্যাডাম, গরুর তো চার পা, কয় পা উঁচু করে দাঁড়াব?
Subscribe to:
Posts (Atom)