Pages

Showing posts with label Internet. Show all posts
Showing posts with label Internet. Show all posts

Sunday, 31 August 2014

Bangla Font Problem in Google Chrome 37.0 (গুগল ক্রমে বাংলা ফন্ট দেখতে সমস্যা হলে যা করবেন)

গুগল ক্রমের সর্বশেষ ভার্সন অর্থাৎ ৩৭.০ তে বাংলা ফন্ট সাধারণত ভেঙ্গে ভেঙ্গে আসে। এই সমস্যা সমাধান করতে আপনার ব্রাউজার এ একটি অ্যাড অন - Advance Font Setting ইন্সটল করতে হবে। 


ইন্সটল হয়ে গেলে ব্রাউজার সেটিং-এ যান। সেখান থেকে এডভান্স সেটিং-এ গিয়ে কাস্টমাইজ ফন্ট পপ আপ ওপেন করুন।




সেখানে নিচের দিকে আবার এডভান্স ফন্ট সেটিং পাবেন, ওপেন করুন।

এখন স্ক্রিপ্ট bengali সিলেক্ট করে সেভ/এপ্লাই করুন। ঠিক হয়ে যাবে।

Wednesday, 20 August 2014

যেভাবে (বিশেষ করে মোবাইলে) ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করবেন

আমরা মাঝে মাঝেই ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও নামাতে চাই। কারন এটি এমন একটি সাইট যেখানে সব ধরনের ভিডিও পাওয়া যায়। কিন্তু সমস্যা হলো এই সাইটটি কোনো ধরনের ডাউনলোড সাপোর্ট করেনা। মাঝে মাঝে আমরা কম্পিউটারে আলাদা ডাউনলোডার ইউস করি ডাউনলোড করার জন্য। কিন্তু মোবাইলে??????
অনেকদিন ধরে এটি অসম্ভব ব্যাপারই ছিলো।

ইউটিউব থেকে ভিডিও নামানো খুবই কষ্টকর একটি কাজ। আর মোবাইল দিয়ে হলেতো কথাই নাই। অবশ্য নানা ধরনের ওয়েবসাইট থেকে ইদানীং 3gp ফরম্যাট এ ভিডিও নামানো যায়। তবে এতে একটা কিন্তু আছে। ওগুলো সবসময় কার্যকরী নয়। আবার ওই ভিডিও গুলোর মান খুবই খারাপ হয়।

এই সব সমস্যার সমাধান নিয়ে আজকের এই পোস্ট,এতে করে আপনি 3gp, mp4, flv, webm এর যে কোন কোয়ালিটির ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে অন্য কোন এডঅনস ইউজ করতে হবে না।

চলুন দেখা যাক আমরা কিভাবে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করব -

১। প্রথমেই আপনার মোবাইল ব্রাউজার থেকে মোবাইল ভিউ অপশনটি বন্ধ করুন।


২। তারপর http://www.youtube.com এ যান।এবং আপনার পছন্দের ভিডিওটি ওপেন করুন।


৩। এইবার এড্রেসবার এ যে লিঙ্কটি পাবেন, তার সামনে ss যুক্ত করুন। (এরকম আরোও অনেকগুলো আছে যেমনঃ kiss, vid, root etc… কিন্তু এগুলো সবগুলো তেমন কার্যকরী নয়)। ধরা যাক আপনি এই লিঙ্কটি ডাউলোড করতে চান। http://www.youtube.com/watch?v=lwrm7FWV1vU তাহলে এর আগে আপনি ss যুক্ত করবেন ফলে লিঙ্ক টি হবে এইরকমঃ
www.ssyoutube.com/watch?v=lwrm7FWV1vU


৪। এর পর এন্টার দিন। এবার saveforum.net এর একটি পেজ আসবে, এই পেজ এর বাম দিকে আপনার ডাউনলোড লিঙ্কের ফরম্যাট গুলো পেয়ে যাবেন।


৫।ফরম্যাট ঠিক করে নিন এবং ডাউনলোড বাটনে চাপুন।

শুধু ইউটিউব না Rapidshare, Dailymotion.com সহ আরও ২২ ধরনের সাইট থেকে এইটা দিয়ে ডাউনলোড করা যাবে।
আমিতো শুধু মোবাইলের কথা লিখছি কিন্তু ঠিক একই ভাবে কম্পিউটার থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

Monday, 18 August 2014

ফায়ার ফক্স এর আনরেসপনসিভ স্ক্রিপ্ট

ফায়ার ফক্স ব্যবহার করার সময় আনরেসপনসিভ স্ক্রিপ্ট এর ঝামেলায় কম বেশি সবাই পরে। 
অনেকে ফায়ারফক্স ব্যবহার করার সময় এই রকম একটা বার্তা দেখে থাকতে পারেন "A script on this page may be busy, or it may have stopped responding. You can stop the script now, or you can continue to see if the script will complete.''
এইটা কন্টিনিউ করলে কাজ হয় না ম্যাক্সিমাম সময় স্টপ দিলে আবার কাজ শুরু করে দেয় ফায়ারফক্স। এখন আপনি চাইলে স্ক্রিপ্টটার কাজ করার সময় বাড়িয়ে দিতে পারেন, অনেক সময় যথেষ্ট সময় না পাওয়াতে হ্যাং হয়ে যায়। সময় বাড়াতে  লোকেশন বার থেকে টাইপ করুন about:config এবং এন্টার প্রেস করুন।

এর পর একটা মেসেজ আসবে  "This might void your warranty!" কন্টিনিউ করুন। এবার ''dom.max_script_run_time'' এই লিখাটা সার্চ করে ডাবল ক্লিক করুন এবং ওখানে দেয়া ভ্যালুটা ২০ করে দিন, এবং ওকে প্রেস করুন। এর ফলে স্ক্রিপ্ট রান করার ডিফল্ট টাইমটা বেড়ে গেল এবং ওই সমস্যা আর দেখা নাও দিতে পারে।

এটা ছাড়া আরো একটা পদ্ধতি আছে। একটা এডঅন এর সাহায্যে। ইয়েস স্ক্রিপ্ট এড করুন এখান থেকে। যদি কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট এ এই সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে ইয়েস স্ক্রিপ্ট থেকে ওই সাইট টা ব্ল্যাক লিস্ট করে দিন। তাহলে ওই স্ক্রিপ্ট গুলো আর রান করবে না। আমার ফেসবুক এর জন্য বেশি সমস্যা হয় তাই ফেসবুকটা ব্ল্যাক লিস্ট করে দিসি। ফায়ারফক্স এর এডঅন থেকে ইয়েস স্ক্রিপ্ট টা বের করুন, অপশন এ গিয়ে ইউআরএল টা এড করে দিন।

বাড়িয়ে নিন মজিলা ফায়ার ফক্স এর গতি

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীগণ সাধারণত মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে থাকেন। আর এতে যে কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে গেলে একটি সমস্যার মধ্যে পড়েন। সেটি হচ্ছে ব্রাউজার প্রোগ্রাম ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার হ্যাং হয়ে যায়। আর তা হয়ে থাকে সহজেই ভাইরাস আক্রান্ত হবার ফলে। তবে এ ধরনের সমস্যাকে এড়িয়ে যেতে পারেন ফায়ার ফক্স ব্রাউজার প্রোগ্রাম ব্যবহারের মাধ্যমে।এছাড়া ফায়ার ফক্স ব্রাউজার প্রোগ্রামের গতি বাড়িয়ে আরো স্বাছন্দে প্রয়োজনীয় তথ্য ব্রাউজ করতে পারেন। বিনামূল্যে ফায়ার ফক্স ব্রাউজার প্রোগ্রাম ডাউনলোড করা যায় এবং ডাউনলোড সম্পন্ন হলে তা ইনস্টল করুন। এরপরে ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করুন। ফায়ার ফক্স ডিফল্ট সেটিংস থাকা অবস্থায় ওপেন করলে অতিরিক্ত কাজ করার দরুন সময় বেশি লাগে। সেজন্যে কিছু সেটিংস পরিবর্তন করা ভাল। এবার আসুন ফায়ার ফক্সের গতি কিভাবে বাড়ানো যায় তা লক্ষ্য করিঃ

১) প্রথমে ফায়ার ফক্স ওপেন বা খোলার পর এড্রেসবারে লিখুনঃ about:config এখানে প্রয়োজনীয় সেটিংস সমূহ প্রদর্শিত হয়।Firefox-1.jpg২) এবার ফিল্টার বক্সে লিখুন network.http.pipelining। এটি লিখার সঙ্গে সঙ্গে তা নিম্নে প্রদর্শিত হয়। এর ডানপার্শ্বে ক্লিক করে এর ভেল্যু False থেকে True নির্বাচন করুন।Firefox-2.jpg৩) একইভাবে network.http.proxy.pipelining এর ভেল্যু False থেকে True নির্বাচন করুন।Firefox-3.jpg৪) এরপর ফিল্টারবক্সে network.http.pipelining.maxrequests লিখুন। এর ভেল্যু ৮ নির্বাচন করুন।Firefox-4.jpg৫) একটি প্রিফারেন্স নাও থাকতে পারে। সেটি হচ্ছে nglayout.initialpaint.delay। সেক্ষেত্রে এই উইন্ডোতে থাকা অবস্থায় রাইট ক্লিক করুন। এখানে New>Integer হতে নতুন প্রিফারেন্সের নাম লিখুন।Firefox-5.jpgএবার এতে ভেল্যু ০ দিন।Firefox-6.jpgএই পর্যায়ে ফায়ার ফক্স বন্ধ করে আবার চালু করুন। ফলে আগের চেয়ে বেশি গতিতে ফায়ার ফক্সে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যাবে। উপরোক্ত টিপস্ এন্ড ট্রিকস্ এর সহায়তায় আপনার কম্পিউটারকে নিঃসন্দেহে অনেকটা গতিশীল ও কার্যক্ষম করে তুলতে পেরেছেন। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের আরো ট্রাবলশুটিং এর মাধ্যমে কম্পিউটারকে আরো কার্যকর করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে সচেতন হতে হবে। কার্যকরভাবে কম্পিউটারের ট্রাবলশুটিং করতে পারলে পিসির পারফর্মান্স ব্যাপারে আপনি নিজেই নিশ্চিত থাকতে পারবেন। 

Tuesday, 12 August 2014

নিরাপদ রাখুন আপনার ইমেইল অ্যাকাউন্ট

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনে ইমেইল একটি অবিছেদ্দ্য অংশ। যোগাযোগ, নিউজলেটার সাবস্ক্রিপশন, সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল তৈরি সহ আরও অনেক কাজে ইমেইলের প্রয়োজন হয়। তবে অসাবধানতার কারনে এই ই-মেইল অনেক সময় বিপদের কারনহয়। ইমেইল এটাচমেন্টে থাকা ভাইরাস, ম্যালওয়্যারসহ বিভিন্ন রকম ক্ষতিকর প্রোগ্রাম নিরাপত্তার জন্য হুমকীস্বরুপ। একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে এক্ষেত্রে অনেকটাই নিরাপদ থাকা সম্ভব।

ক্ষতিকর ইমেইল অথবা ইমেইল এটাচমেন্ট সনাক্ত করার জন্য নিচের পদ্ধতিগুলো অবলম্ভন করতে পারেন।
১- ফাইল এক্সটেনশন দেখুন
এটাচমেন্টের ফাইল এক্সটেনশন দেখেই অনেক সময় বোঝা সম্ভব যে এটি ক্ষতিকর কিনা। এটাচমেন্টের এক্সটেনশন যদি .exe হয়, তাহলে বুঝতে হবে এটি একটি এক্সিউটেবল উইন্ডোজ প্রোগ্রাম এবং ভুলেও এটি খুলবেন না। এছাড়াও .msi, .bat, .com, .cmd, .hta, .scr, .pif, .reg, .js, .vbs, .wsf, .cpl, .jar এই এক্সটেনশনগুলোও ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত।

২- এনক্রিপ্টেড ফাইল কিনা দেখুন
আর্কাইভ বা জিপ ফাইলের ভেতর অনেক অনেক সময় ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থাকতে পারে। এনক্রিপ্টেড আর্কাইভ গুলো এক্ষেত্রে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ন। যেমন ধরুন কেউ একজন আপনাকে একটি .zip, .rar অথবা একটি .7z ফাইল এবং পাসওয়ার্ড পাঠালো সেই ফাইলটি খোলার জন্য। তখন এটি না খোলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৩- প্রেরকের ঠিকানা দেখুন
ইমেইলের এটাচমেন্ট খোলার ক্ষেত্রে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। অপরিচিত কারো পাঠানো ইমেইল এটাচমেন্ট না খোলাই ভাল। সাধারনত অপরিতিচ কারো পাঠানো সন্দেহজন এটাচমেন্টে অনেকটা নিশ্চিত ভাবেই ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার থাকে।

৪- সন্দেহজন লেখা কিনা পরখ করুন
কিছু কিছু ইমেইল পড়েও বোঝা সম্ভব যে এটি সন্দেহজনক কিনা। অনেক সময় মোটা অংকের টাকার লোভ দেখিয়ে কিংবা লটারী জিতেছেন এরকম কথা বলেতে পারে। অনেক সময় মাইক্রোসট বা গুগলের নাম দিয়ে ইমেইল পাঠিয়ে বলা হয় এটাচমেন্ট খুলে রান করানোর জন্য যা কিনা সম্পূর্ন ভুয়া।

৫- এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করুন
পরিচিত লোকজনের কাছ থেকে পাঠানো ইমেইল এটাচমেন্ট খোলার আগে এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে নিন। কারন অনেক সময় প্রেরকের অজান্তেই ক্ষতিকর প্রোগ্রাম চলে আসতে পারে এটাচমেন্টের মাধ্যমে।

এই পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে আপনার কম্পিউটার অনেকাংশেই নিরাপদ রাখা যাবে।

নকিয়া পিসি সুইট এর স্পিড বাড়িয়ে ফেলুন

নকিয়া হ্যান্ডসেটকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করলে ইন্টারনেট গতি অনেকের ক্ষেত্রেই ধীরগতির থাকে। এ ক্ষেত্রে কিছু সেটিংস পরিবর্তন করে গতি বাড়িয়ে নেওয়া যায়। 

১. প্রথমে Nokia PC Suite দিয়ে কম্পিউটারের সঙ্গে হ্যান্ডসেটটি সংযুক্ত করুন। এরপর Connect to the Internet ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযোগ দিন। সংযোগ দেওয়া হয়ে গেলে আবার ডিসকানেক্ট করুন।


২. এবার network হতে network and sharing center এ যান।


৩. এখন change adapter setting এ যান।


৪. এখানে Nokia phone Bluetooth modem এ লেখার ওপর Right Mouse ক্লিক করে Properties যান।


৫. এবার Configure ক্লিক করুন।


৬. যে পেইজ আসবে সেখানে Maximum speed (bps)-এর পাশের Box থেকে ক্লিক করে 92160 করে দিন।


OK করে বেরিয়ে আসুন।

উইনডোজ XP জন্যঃ
Start ক্লিক করে Run-এ গিয়ে ncpa.cpl লিখে Enter চাপুন।
এখন যে পেইজ আসবে সেখানে Nokia USB Modem#1 এ রকম একটা লেখা থাকবে। এ লেখার ওপর Right Mouse ক্লিক করে Properties-এ ঢুকে Configure থেকে Maximum speed (bps)-এর পাশের Box থেকে ক্লিক করে 92160 লিখুন। ok করে বেরিয়ে আসুন।
এবার Nokia USB Modem#1-এ দুবার ক্লিক করে Dial-এ চাপ দিন। দেখবেন নেট কানেক্ট হয়ে গেছে।
আগের চেয়ে ইন্টারনেটে গতি অনেক বেড়ে যাবে। পরবর্তী সময়ে যদি Nokia PC Suite ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযুক্ত করেন, তাহলে এ সেটিংস বদলে যাবে। পুনরায় করে নিতে হবে।

আইপি এড্রেস পরিবর্তন করুন খুব সহজে

আইপি এড্রেস পরিবর্তন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারন এর মাধ্যমে আমরা অনেক সুবিধা ভোগ করতে পারব। আমরা অনেকে রেপিডশেয়ার থেকে ফাইল ডাউনলোড করি। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর এইসব ফাইল হোস্টিং সাইট ডাউনলোডের সুযোগ দিয়ে থাকে। আইপি হাইডের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। এই আইপি পরিবর্তনের ফলে আমরা ফায়ারওয়াল বাইপাস করতে পারব। অনেক সাইট রয়েছে যেগুলো থেকে একটি আইপি দিয়ে একটি একাউন্ট খোলা যায়। আপনি আইপি পরিবর্তন বা হাইড করে সেখান থেকে অনেকগুলো একাউন্ট করতে পারেন।হ্যাকিং করার সময় নিজেকে ধরা খাওয়ার হাত থেকে বাঁচানো যায়। এটা করার দ্বারা অন্যকে খুব ভালোভাবে বোকা বানানো যায়। প্রক্সি শিখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারন হ্যাকিং করার সময় এটা আপনাকে নিশ্চিন্ত রাখে।তাহলে শুরু করা যাক।

মনে করুন আপনি কোন মেয়েকে প্রপোজ করবেন। :-D কিন্তু আপনি তার প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে সন্ধ্বিহান। তাহলে আপনিকি করবেন? আপনার কোন বন্ধুকে বলবেন তাকে বলার জন্য যে আপনি মেয়েটিকে ভালোবাসেন, তাই না? আর এটাই প্রক্সি। হিহি, আসলে এটা প্রক্সি না এটা হচ্ছে প্রক্সির ব্যাপারে একটা উদাহরন।

যখন আপনি কোন তথ্য কোন ওয়েবসার্ভারকে পাঠাবেন তখন ঐ সার্ভার সবর্প্রথম আপনার আইপি দেখবে। তখন সে সহযেই আপনাকে ট্রেস করতে পারবে। আর যদি আপনি প্রক্সি সেট করেন তখন যদি আপনি কোন তথ্য ঐ একই সার্ভারকে পাঠাতে চান তাহলে সে আর আপনাকে ট্রেস করতে পারবে না কারন তখন সে আপনার আইপি খুজতে গিয়ে পাবে প্রক্সি সার্ভারের আইপি। নিচে প্রক্সির কাযর্কলাপ লক্ষ্য করুন।

প্রক্সি করার আগেঃ
আপনি —> ইয়াহুতে তথ্য পাঠাচ্ছেন —–> ইয়াহু আবার আপনাকে প্রতিউত্তর দিচ্ছে

প্রক্সি করার পরঃ
আপনি —> প্রক্সি সার্ভার —-> ইয়াহুসার্ভার —-> প্রক্সি সার্ভার —–> প্রতিউত্তর

আশা করি প্রক্সি সম্পর্কে একটা সাম্মক জ্ঞান আপনাদের লাভ হয়েছে। প্রক্সি করার পর লক্ষ্য করবেন আপনার ইন্টারনেটের গতি একেবারে কমে গেছে। এখন একটি গল্প বলছি।

কিছু মাস আগে আমেরিকার একটি ১৬ বৎসর বয়সের বালকনাসার ওয়েবসাইটে ডস এ্যাটাক চালাল। ওই মূহুর্তে নাসা তাদের একটি রোবট মঙ্গল গ্রহে পাঠায়। যখন বালকটি ডস এ্যাটাক চালায় ঠিক তখনই রোবটটি মঙ্গলে অবতরন করেছিল। এ্যাটাকের পর রোবটটি থেমে গিয়েছিল। এর পর নাসার সব বিজ্ঞানীরা একে অপরের মুখের দিকে নির্বোধের মত তাকাতে লাগল। কি হচ্ছে এসব? 
এখন তারা খুজতে লাগল কে এই কাজ করেছে। ঠিক ১৪দিনের মাথায় তারা বালকটি সম্পর্কে জানতে পারল এবং তাকে পাকরাও করল।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে কেন আমি গল্পটি এখানে লিখলাম, তাই না?

আসলে বালকটি তার আইপি পরিবর্তন করেছে ৪ বার। সে প্রথমে প্রক্সি ব্যবহার করে। তারপর তার আগের প্রক্সির জায়গায় নতুন প্রক্সি বসায়। এভাবে ৪ বার সে তার আইপি বদলায়। কিন্তু সে তার ম্যাক এড্রেস পরিবর্তন করে নি। আমি আপনাদের সবইবলছি, যদি আপনি প্রক্সি ব্যবহার করেন তখন ওয়েবমাস্টার আপনাকে ট্রেস করতে পারবে না কারন যখন সে আপনার আইপি খুঁজবে তখন পাবে প্রক্সি। যদি আপনি ১০ বার প্রক্সি পরিবর্তন করেন তাহলে ১০০% নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনি ১ মাসের জন্য নিরাপদ। এফবিআই প্রথমে ১০প্রক্সি ট্রেস করার চেষ্টা করবে, তারপর ৯নং এভাবে চলতে থাকবে শেষ নাহওয়া পযর্ন্ত। এভাবে ১ মাস চলে যাবে। তারা সরাসরি আপনার পিসি থেকে ট্রেস করতে পারবে না। তাদের শশরীরে যেতে হবে এক একটি প্রক্সি ট্রেস করার জন্য। সুতরাং সময় লাগবে। আমার মনে হয় আপনারা প্রক্সির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন।

প্রথমে গুগলে সার্চ দিন ‘list of proxy address’ লিখে।

অনেক ফলাফল আসবে আপনার সামনে। ওইখান থেকে প্রথমে যেকোন একটি ফলাফল বেছে নিন। তারপর ওই ওয়েবসাইটে দেখবেন অনেক আইপি এড্রেস রয়েছে সাথে পোর্ট নাম্বার। আপনি যা দেখছেন। প্রত্যেকটি হচ্ছে এক একটি প্রক্সি সার্ভার এর আইপি। 

এখন আপনি যেকোন একটি আইপি এবং পোর্ট কপি করেন। এবার আপনি আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার খুলুন এবং নিচের পন্হা অনুসরন করুন।

tools > internet option > connection > lan setting

ল্যান সেটিংয়ে যান। সেখানে আপনি নীল রংয়ের দুটি লাইন দেখতে পাবেন। একটা হচ্ছে Automatic Configuration এবং অন্যটা হচ্ছে Proxy Server

এখন Proxy Server নামের ট্যাবে আপনি দেখতে পাবেন ৪টা ব্লক। তারমধ্যে ২টা টিক চিন্হ দেয়ার জন্য আর ২টা হচ্ছেঠিকানা দেয়ার। আপনি ২টাতে টিক দিয়ে দিন। ঠিকানার ঘরে আপনি আপনার কপিকৃত আইপি এড্রেসটি দিয়ে দিন আর পোর্ট এর ঘরে কপিকৃত পোর্টটি। মনে রাখবেন টিক দিতে কিন্তু ভুলবেন না। এবার ওকে করুন।

এবার খুলুন www.whatismyip.com

এখন ওখানে আপনি দেখতে পাবেন আপনার আইপি পরিবর্তন হয়েছে।

মজিলা ফায়ারফক্সের ক্ষেত্রে

tools > options > advanced > network > settings

এখানে সেটিংসে আইপি এবং পোর্ট নাম্বার দিন। ওকে করুন। এরকম অনেক ব্রাউজার রয়েছে। আসলে সবগুলোর সিস্টেম একই। একটু চেষ্টা করলেই আপনি করতে পারবেন।

একি আবারও প্রশ্ন করছেন কেন আপনি প্রক্সি ব্যবহার করবেন?

শুনুন, ইন্টারনেটে হ্যাকিং জাতিয় কাজ করতে গেলে প্রক্সি রাখবে আপনাকে একেবারে নিশ্চিন্ত। কিন্তু প্রক্সির বন্যা বসাবেন কিভাবে? 
প্রক্সি বন্যা মানে হচ্ছে প্রথমে একটি প্রক্সি নিবেন তারপর আরেকটি বদলাবেন, তারপর আরেকটি এভাবে চলতে থাকবে। এটা করলে আপনি থাকবেন একেবারে নিশ্চিন্ত। আমি্ এখন আপনাদেরকে কয়েকটি সফটওয়্যারের নাম বলব যেগুলো প্রক্সি বন্যার জন্য যথেষ্ট। তবে আপনি ইচ্ছে করলে গুগল ব্যবহার করে আরও অনেকগুলো পেতে পারেন।
SocksChain
Happy Browser Tool
Multiproxy
Tor


যখন আপনি কোন হ্যাকিংয়ের কাজ আরম্ভ করবেন তখন উপরের যেকোন একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন। তাহলেই আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন। উপরের সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে মাল্টিপ্রক্সি টুলটি অসাধারন।

এখন অতিরিক্ত কিছুঃ
Browzar নামে একটি সফটওয়্যার আছে এটি ব্যবহার করুন হ্যকিংয়ের সময়। কারন এই টুলটি কোন লগ ছেড়ে আসে না। অত্যন্তনির্ভরযোগ্য একটি সফটওয়্যার। ঠিক এর মতই আরেকটি টুল হচেছ Torpark Browser

এখন মনে করুন আপনি প্রক্সি ব্যবহার করলেন কিন্তু খেয়াল করবেন যে আপনার ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে। এখন উপায়? 

এক্ষেত্রে আপনি ব্যবহার করতে পারেন Ultra Surf এটা আপনাকে যথেষ্টভাবে সাহায্য করবে। তেমন কিছুই করতে হয় না। ডাউনলোড করার পর দুটো ক্লিক করুন। একটি তালার চিন্হ দেখতে পাবেন। এবার মনের সুখে ব্রাউজিং করুন
উপরে কিছু প্রক্সি সেবাদানকারী সাইটও রয়েছে যেগুলো আপনাকে ব্লক করা ওয়েবসাইটেও প্রবেশ করতে সহায়তা করবে।

প্রক্সি সার্ভার ৪ ধরনের হয়ে থাকে।
. ট্রান্সপারেন্ট প্রক্সি
. এনোনিমাস
. ডিসটোরটিং
. হাই এনোনিমিটি (এটাই সবচেযে ভালো)

প্রক্সি চেক করতে পারেন এখানে।

আইপি লুকানোর জন্য কিছু কার্যকরী সফটওয়্যার নিচে দেয়া হল।
Hide IP Next Generation
Hide The IP
Hide-MY-IP


উপরের সফটওয়্যারগুলো সবডেমো। আপনি আগে ব্যবহার শিখুন। তারপর ফুল ভার্সন ব্যবহার করুন। এছাড়াও ইন্টারনেট সার্চকরলে আরও অনেক সফটওয়্যার পেতে পারেন। আর টরেন্ট সার্চ করলে ফুল ভার্সন পেয়ে যাবেন।

কিছু অনলাইন টিভি চ্যানেলের ঠিকানা

আপনি চাইলে আপনার পিসিতে বসেই সরাসরি অনলাইনে দেখতে পাবেন সকল টিভি চ্যানেল ।
এই ওয়েবসাইট থেকে ফুল স্পিডে দেখতে পারবেন Bangladeshi TV Channels, Sports TV Channels, Indian TV Channels, Pakistani TV Channels এবং International TV Channels 

লিঙ্কঃ
১. Bangladeshi TV Channels

২. Sports TV Channels

৩. Indian TV Channels

৪. Pakistani TV Channels

৫. International TV Channels

আপলোড ছাড়াই শেয়ার করুন যেকোনো ফাইল

অফিসের কোন জরুরি ফাইল অথবা কোন বন্ধুকে কিছু ছবি হয়ত পাঠাতে চাইছেন ইন্টারনেট এর মাধ্যমে। তাহলে এখন উপায় কি? উপায় হল ইমেইল বা কোন ফাইল শেয়ারিং ওয়েবসাইট থেকে আপলোড করে দেওয়া। এতে সময় এবং ডাটা খরচ হয় অনেক। এর বিকল্প হিসেবে শুধু ফাইলের অবস্থান দেখিয়ে দিলেন আর আপনার কম্পিউটার থেকে সরাসরি সেটা নামিয়ে নেওয়া সম্ভব, একেবারেই বিনামুল্যে। 

এর জন্যে আপনাকে জাস্ট বিম ইট ওয়েবসাইটে [www.justbeamit.com] যেতে হবে। এবারে কাঙ্ক্ষিত ফাইলটি টেনে এনে ওই পেজের বক্সে ফেলুন অথবা সিলেক্ট ফাইল তো বিম অপশন থেকেও ফাইলটি কম্পিউটারে কোথায় আছে দেখিয়ে দিন। এবারে নতুন একটি পেজে “শেয়ার দিস লিঙ্ক” এর নিচে নতুন একটি লিঙ্ক পাবেন। সেটি আপনার বন্ধুকে পাঠিয়ে দিন। এখন আপনার বন্ধু দুনিয়ার যে প্রান্তেই থাকুক না কেন ওই লিঙ্কে ক্লিক করে সহজেই আপনার কম্পিউটার থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইলটি নামিয়ে নিতে পারবে। এই ওয়েবসাইট এর সাহায্যে প্রতিবারে সর্বোচ্চ ২জিবি পর্যন্ত ফাইল শেয়ার করতে পারবেন একেবারে বিনামুল্যে। ডাউনলোড এর সময় আপনার কম্পিউটার চালু রাখতে হবে।

Saturday, 5 July 2014

কিভাবে একটি ওয়েবসাইট ব্লক করবেন?

আমাদের অনেক সময়websiteব্লক করার প্রয়োজন হয় । এটা হয়তো বিভিন্ন site এ অতিরিক্ত সময় ব্যায় কিংবা পর্নো site গুলো থেকে শিশুদের দূরে রাখার জন্য প্রয়োজন হতে পারে । এজন্য  অনেকেই খোজ  করে থাকেন কিভাবে একটি website ব্লক করা যায়?

নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করে খুব সহজেই আপনি যেকোনো website ব্লক করতে পারেন।

* Computer > Local Disk(C:) > Windows > System32 > drivers>etc


** এখন host ফাইল এ mouse এর right বাটন ক্লিক করে notepad এ ওপেন করুন । সব নিচেlocalhost লেখা অংশ খুঁজে বের করুন ।

*** এর নিচে 127.0.0.1 লিখে আপনি যে website ব্লক করতে চান তার URL লিখে file অপশন এ গিয়ে save করুন । এবার আপনার সার্চ  ইঞ্জিনে গিয়ে website টি সার্চ করুন । দেখবেন ওই site ওপেন হচ্ছে না। এখানে উদাহরণ স্বরূপ আমি facebook ব্লকের নিয়ম দেখালাম । 

এভাবে এক বা একাধিক website আপনি  127.0.0.1 এর পর URL লিখে  ব্লক করতে পারেন। একইভাবে Unblock করার জন্য এ অংশটুকু delete করে পুণরায় save করুন